বিজলী নামটা শুনলেই একটা গানের লাইন মনে পড়ে “ও বিজলী তুমি চলে যেওনা” আর একজনের কথা মনে পড়ে সে হল আমার বন্ধুর ছোট বোন যে কিনা মেডিকেলে পড়ছে।

 

কিন্তু হঠাত করে আজ বিজলী নামটা স্মরণ করার অন্য কোন কারণ ছিলনা যদি না বাংলাদেশ সমূদ্র সীমায় যে ঘুর্নিঝড়ের সংকেত পাওয়া যাচ্ছে তার নাম ‘বিজলী’ না হত। সকালের বুলেটিনেই শুনেছিলাম ‘বিজলী’ আঘাত হানতে পারে, সকালের আকাশ দেখেও সেরকম বোঝা যাচ্ছিল, হালকা কালো মেঘের আনগোনা কিন্তু বৃষ্টি ভাবের তেমন সম্ভাবনা ছিলনা।

 

রাতে আসা শাহরিয়ার মামা আজ সকালে ট্রাষ্ট ব্যাংকের লিখিত পরীক্ষা দিতে যাবেন, এজন্য মা বেশ সকালেই উঠলেন, ছোটটাকে ডেকে তো এমনিতেই তোলা যায়না তারপরেও ও তাড়াতাড়িই উঠে গেল। এদিকে আমার অফিস দশটাতে। আমিও রেডী হলাম। আজ আর তেমন বাস পাওযার ঝামেলা থাকেনা, রাস্তাও ফ্রী। খুব তাড়াতাড়ি আসা যায়।

 

এই একটা দিন, অফিসে এসে ধুমছে পত্রিকা পড়া যায়, ইচ্ছেমত। কারণ কেউ তো আর এ দিনে অফিসে থাকেনা, একলাই আমি আর আমার জিএম। এদিনে অবশ্য আর একটা মজার ব্যপার আছে খাওয়া-দাওয়া হয় হেভ্ভী, যেমন আজ সকাল থেকে এ পর্যন্ত কচি নারিকেলের শাষ থেকে শুরু করে পেঁপে, কচি শষা, সিঙ্গারা আর চা-কফি তো আছেই।

 

লাঞ্চের সময় যখন আবার ডাইনিং থেকে ফিরছি কিছু বৃষ্টির জল গায়ে পড়ল, বেশ ঠান্ড আবহাওয়া ছিল।

 

এখন সন্ধ্যা, বাহিরে এখনও না কি গরম আছে প্রচন্ড, ওদিকে সমূদ্র বন্দরে আট নম্বর দিয়েছে। কঠিন বিপদ সংকেত। রাস্তায় বৃষ্টি হলে ভিজবার ইচ্ছে আচ্ছে। তাহলে বাহিরে বের হয়ে দেখি….. সেই সুযোগে সোজা বাসায়।