রোজনামা - ২১ এপ্রিল, ২০০৯ (মঙ্গলবার)
আজ মঙ্গলবার - ২১ এপ্রিল, ২০০৯
অনেক পুরোনো আমাদের ঘরের টেলিভিশনটি। ওটা
কেনা হয়েছিল ৮৩’সনে। সাদাকালো। শেষের বছরটাতে প্রায় সমস্যা করলেও মাঝে মাঝে তা কোনরকম
ঠিকঠাক করে চালানো হচ্ছিল। মানে ঠেলে ঠুলে চালানো আর কি, বুঝতে বাকী ছিলনা এটাকে জাদুঘরে
পাঠানোর সময় প্রায় হয়ে গিয়েছে। খুব মন খারাপ হচ্ছে টেলিভিশনটা নষ্ট হওয়ায়। আর নতুন
করে যে কিনব সেটাও এ মুহূর্তে সম্ভব না। টেলিভিশনটাই বাসার একমাত্র ভরসা। বাবা-আর মা
দুজন থাকেন সারাদিন টুকটাক দেখে সময় পার করেন।
সারাদেশে ইলেকট্রিসিটি আর পানির যে সমস্যা
দিন কে দিন বাড়ছে তার আর কি বর্ণনা দেব। গতকাল রাত একটার দিকে একবার গেল আবার নাকি
তিনটার দিকে গিয়েছিল। থুব খারাপ পরিস্থিতি যাচ্ছে ইদানিং।
অফিসে একটা মজার ঘটনা ঘটে গেল। আমি অবশ্য
একটা পরিকল্পনা করে ফেলেছি ইতোমধ্যে সামনে পরীক্ষা শেষ হলে ফটোগ্রাফি কোর্স করব তারপর
সেদিকেই ঝোকার খানিকটা ইচ্ছে আছে। কিন্তু সমস্যা আছে এক জাগাতে, সেটা হল ক্যামেরা কেনার
তেমন পয়সা নাই। অফিসে ডিক্লেয়ার করেছি আমার কলিগদের উদ্দেশ্যে তারা আমাকে স্পন্সর করলে
ভবিষ্যতে যখন এক্সিবিশন করব তাদের প্রত্যেককে ক্রেডিট ট্রান্সফার করা হবে। মূলত মজা
হচ্ছে আমার এজিএম (এডমিন)কে নিয়ে, তিনি ডিক্লেয়ার করেছেন আমি যদি মাস দুয়েকের মধ্যে
বিয়ে করি তাহলে তিনি আমাকে ক্যামেরা গিফট্ করবেন। ব্যাস আমি শুধু তার কাছে জুন মাস
পর্যন্ত সময় চাইলাম পরীক্ষার জন্য, তিনি নারাজ, এটাও কমফার্ম করতে বললাম যদি তিনি সত্যি
সত্যি দেন তাহলে অবশ্যই মাসখানেকের মধ্যে বিয়ে করব। তবে এ বিয়ে বিয়ের জন্য নয়, ক্যামেরার
জন্য।
ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগ (আইপিএল)-এ আজকেও
বাংলাদেশী প্লেয়ার মাশরাফীকে নামানো হয়নি, মেজাজটা খারাপ তাই।
শেষ বিকেলে নতুন একটা সু-সংবাদ অপ্রত্যাশিত
ছিল। আমার পুরোনো রেসিডেন্ট ডাইরেক্টর (এডভাইজর টেকনিক্যাল টু চেয়ারম্যান) তিনি আবার
ট্রান্সফার হয়ে আমাদের অফিসে ফিরে এলেন। খুব টানেন আমাকে। এখন খুব আনন্দ হচ্ছে, স্যারকে
আবার ফিরে পেয়ে।
কিছুক্ষন আগে বাবা ফোন করলেন বাসায় একটা
ক্যালেন্ডার নিয়ে যাবার জন্য, ভাগ্য ভাল মনে করিয়ে দিয়েছেন তা না হলে তো বেমালুম ভুলেই
গিয়েছিলাম।
একটা ক্যালেন্ডার আজ বাসায় নিয়ে যেতে হবে
..