<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<!-- generator="FeedCreator 1.7.2" -->
<rss version="2.0" xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom">
    <channel>
        <atom:link href="http://prochetto.yolasite.com/blog/blog.rss" rel="self" type="application/rss+xml" />
        <title>blog</title>
        <description>blog</description>
        <link>http://prochetto.yolasite.com/blog/blog.php</link>
        <lastBuildDate>Sat, 13 Jun 2026 17:25:14 +0100</lastBuildDate>
        <generator>FeedCreator 1.7.2</generator>
        <item>
            <title>ব্রেকিং নিউজ : &quot;হাসিনা দেশের ...</title>
            <link>http://prochetto.yolasite.com/blog/blog/--apr-10-2009-5-41-53-am</link>
            <description>


&lt;a onblur=&quot;try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}&quot; href=&quot;http://3.bp.blogspot.com/_0ZDfK7zRawc/Sd7azy4n4mI/AAAAAAAAAAw/7gvY5liL_i4/s1600-h/prochettoblog_1180617368_4-hasina.JPG&quot;&gt;&lt;img class=&quot;yui-img&quot; style=&quot;margin: 0pt 10px 10px 0pt; float: left; cursor: pointer; width: 400px; height: 371px;&quot; src=&quot;http://3.bp.blogspot.com/_0ZDfK7zRawc/Sd7azy4n4mI/AAAAAAAAAAw/7gvY5liL_i4/s400/prochettoblog_1180617368_4-hasina.JPG&quot; alt=&quot;&quot; id=&quot;BLOGGER_PHOTO_ID_5322932392965956194&quot; border=&quot;0&quot;&gt;&lt;/a&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;আৎকে ওঠার মত খবরই বটে !&lt;br&gt;&lt;br&gt;হঠাৎই তিনি দেশের বাহিরে চলে যাচ্ছেন !&lt;br&gt;&lt;br&gt;কাউকে না জানিয়ে আকস্মিক তার এই সিদ্ধান্ত সবার মাঝে কৌতুহূল সৃষ্টি করেছে !&lt;br&gt;&lt;br&gt;চারিদিকে বিভিন্ন গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে !&lt;br&gt;&lt;br&gt;অবশেষে বিস্ময়ের আর সীমা থাকলনা ! !&lt;br&gt;&lt;br&gt;বিস্তারিত ২য় ছবিতে,&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;a onblur=&quot;try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}&quot; href=&quot;http://1.bp.blogspot.com/_0ZDfK7zRawc/Sd7bmd_jnKI/AAAAAAAAAA4/GNgC-eqvzzA/s1600-h/prochettoblog_1180617428_5-Region_Capture.JPG&quot;&gt;&lt;img class=&quot;yui-img&quot; style=&quot;margin: 0px auto 10px; display: block; text-align: center; cursor: pointer; width: 400px; height: 179px;&quot; src=&quot;http://1.bp.blogspot.com/_0ZDfK7zRawc/Sd7bmd_jnKI/AAAAAAAAAA4/GNgC-eqvzzA/s400/prochettoblog_1180617428_5-Region_Capture.JPG&quot; alt=&quot;&quot; id=&quot;BLOGGER_PHOTO_ID_5322933263531220130&quot; border=&quot;0&quot;&gt;&lt;/a&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;[দু:খিত পোষ্টের পোষ্টারের &quot;হাসিনা&quot; দেখে যাকে ভাবছেন তিনি সেই হাসিনা নন ]&lt;br&gt;&lt;br&gt;[এ হাসিনা কলেজ পড়ুয়া আমার এক্স গার্ল ফ্রেন্ড]&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;a href=&quot;http://www.somewhereinblog.net/blog/prochettoblog/28713667&quot;&gt;প্রথম প্রকাশ - somewhereinblog.net&lt;/a&gt;&lt;br&gt;৩১শে মে, ২০০৭ দুপুর ১:৩১
</description>
            <pubDate>Fri, 10 Apr 2009 05:41:53 +0100</pubDate>
        </item>
        <item>
            <title>আকাশ ছোয়ার স্বপ্ন</title>
            <link>http://prochetto.yolasite.com/blog/blog/--apr-10-2009-5-31-52-am</link>
            <description>


আকাশটা ছুঁতে বড্ড ইচ্ছে হত, ইচ্ছেটা সেই ছোট বেলা থেকে। আকাশ কি ছোয়া
যায়? ওই বয়সে সরল বিশ্বাসে যাই বুঝেছি তাতেই ভাবনার সমস্ত আকাশ জুড়ে একটা
ইচ্ছে প্রবল হয়ে সবসময় মাথাচাড়া দিত আকাশ ছুঁতেই হবে। তাইত ছোটবেলার
স্মৃতিতে যতটুকুন মনে পড়ে কাচা পাকা গ্রামের বাড়ীতে মই দিয়ে বাড়ীর ছাদে
উঠে আকাশ ছুঁতে চেষ্টা করতাম। সময়ের প্রবাহমান স্রোতে যতই এগিয়ে চলেছি
আকাশ ছোয়ার সাধটা ততই পূর্ণ করার সুপ্ত ইচ্ছা মনের ভিতর বারবার উকি
দিয়েছি। ছোট স্কুল পড়–য়া জীবনে তাই খেলাচ্ছলে খেলনা তীরটা আকাশের পানে
ছুড়ে দিয়েছি, আকাশটাকে ছুয়ে যদি আবার ফিরে আসে। বড় স্কুল জীবনেও ভাবনার
ডানা মেলে আরও সুবি¯তৃত হয়েছে, বড় স্কুলের ৫তলা ছাদে উঠে হাত দুটো উচিয়ে
দিয়েছে, বড় থেকে আরো বড় হয়ে যখন ২০ তলা অফিসের একজন চাকুড়ে আকাশটা তখন আরো
কত কাছে, ইচ্ছে করলেই যেন হাত বাড়িয়ে দিলেই ছুতে পাড়ব।&lt;br&gt;&lt;br&gt;কল্পনার
আকাশ ছোয়ার সাথে বাস্তবের আকাশ ছোয়ার ইচ্ছাও যে অজান্তেই মনে জন্ম নিয়েছে
তা কিছুটা আঁচ করার আগেই বাস্তবের আকাশ প্রায় ছুই ছুই। বাস্তবের আকাশ
ছোয়ার নেশায় আমার অর্জন, প্রাপ্তি আমাকে আকাশের সুউচ্চ সমান করেছে।&lt;br&gt;&lt;br&gt;আজ
বয়সের ভারে ভারাক্রান্ত, সেই ছোটবেলার কল্পনার আকাশ ছোয়া যদিও কখনো সম্ভব
হয়নি, আর আজ তার খুব কাছাকাছি। আকাশের পানে তাকিয়ে স্বপ্নে বিভোর শৈশব,
কৈশেরে যে কল্পনাগুলো লালিত করেছি, আকাশকে ছোয়ার পণ করেছি, আর এখন আকাশ
আমাকেই ছুতে যাচ্ছে।&lt;br&gt;&lt;br&gt;আমি আকাশের পথে রওনা হওয়া অপেক্ষমান এক পথযাত্রী।&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;a href=&quot;http://www.somewhereinblog.net/blog/prochettoblog/28713645&quot;&gt;প্রথম প্রকাশ - somewhereinblog.net&lt;/a&gt;&lt;br&gt;৩১শে মে, ২০০৭ সকাল ১০:৫৮
</description>
            <pubDate>Fri, 10 Apr 2009 05:31:52 +0100</pubDate>
        </item>
        <item>
            <title>মস্তিষ্কের ডিলিট এবং রিস্টোর ...</title>
            <link>http://prochetto.yolasite.com/blog/blog/--apr-10-2009-5-29-56-am</link>
            <description>


মস্তিষ্কের নিউরণগুলির কাজ কাম আজকাল মোটেই ভাল লাগেনা। কেমন জানি
বিরক্তিকর, খারাপ জিনিসগুলির ধারণ ক্ষমতা বেশ বেশী অথচ ভালগুলো মনে রাখার
জন্য মনে হয় নিউরনগুলোর পায়ে পড়ত হয় !&lt;br&gt;&lt;br&gt;কেউ
আমাকে আঘাত করল সেটা ঠিকই অনেকদিন মনে থাকে অথচ কেউ আপনাকে উপকার করল সেটা
যেন মনে রাখাই দায়। আশেপাশে কত খারাপ, ভাল, মন্দ আছে, কোন কোনটার গ্রহণ
ক্ষমতা বেশী আবার কম। সব মিলিয়েই চলে প্রতিটি দিন।&lt;br&gt;&lt;br&gt;ধরুন এমনটা যদি
হয়, কেউ আপনাকে আঘাত বা কষ্ট দিলে তা ঘটনার পরপরই আপনার স্মৃতি থেকে মুছে
যাবে। আর কেউ উপকারে আসলে তার স্মৃতি যুগ যুগ ধরে আপনার মস্তিষ্কের
হার্ডডিস্কে জমা থাকবে। অর্থ্যাত, মস্তিষ্ক শুধু ভাল জিনিসগুলো ধারন করবে
খারাপ কিছু ঘটলে তা সাথে সাথে স্মৃতি থেকে হারিয়ে যাবে। তাহলে কোন কষ্ট
থাকবেনা, আর কষ্ট না থাকলে দুখও থাকবেনা।&lt;br&gt;&lt;br&gt;আবার কেউ অভিযোগ করল,
শরীরের ক্ষত থেকে যদি কাউকে মনে করিয়ে দেয় তার অতীতের আঘাতকে তখন কি হবে।
মনের কষ্টকে না হয় এভাবে তাড়ানো গেল কিন্তু বাহ্যিক কিংবা শারীরিক কষ্ট
যদি বার বার মস্তিষ্ককে রিস্টোর করে তখন কি হবে?&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;a href=&quot;http://www.somewhereinblog.net/blog/prochettoblog/28713431&quot;&gt;প্রথম প্রকাশ - somewhereinblog.net&lt;/a&gt;&lt;br&gt;৩০শে মে, ২০০৭ বিকাল ৩:৫৮
</description>
            <pubDate>Fri, 10 Apr 2009 05:29:56 +0100</pubDate>
        </item>
        <item>
            <title>&quot;মানুষ মানুষের জন্য&quot;</title>
            <link>http://prochetto.yolasite.com/blog/blog/--apr-10-2009-5-15-34-am</link>
            <description>


আপনি কি কখনো ভেবে দেখেছেন আপনার এ বয়স্কালে একজন মানুষ হয়ে আর একজন মানুষের জন্য কতটুকু কিছু করতে পেরেছেন কিনা?&lt;br&gt;&lt;br&gt;আপনার সাধ্যের মধ্যে কিংবা সাধ্যের বাহিরে কখনো কি কোন সময় কোন মানুষের পাশে দাড়িয়েছেন?&lt;br&gt;&lt;br&gt;কখনো কি দাড়াতে চেষ্টা করেছেন ? আপনার মনে কি অজান্তে কিংবা জ্ঞানত: মানুষের পাশে দাড়ানোর অনুভূতি প্রবল হয়ে উঠেনা ?&lt;br&gt;&lt;br&gt;আপনার সূক্ষ কিংবা জটিল চিন্তার মাঝে কি কারও পাশে দাড়ানোর চিন্তা আপনাকে ভাবায়না?&lt;br&gt;&lt;br&gt;কখনো মানুষের পাশে দাড়িয়ে মানুষের জন্য হাত বাড়িয়ে দেবার সুখটুকু অর্জনের সুযোগ কি কখনো হয়েছিল?&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt; &quot;মানুষ মানুষের জন্য&quot; গানটার লিংক কেউ দিতে পারবেন?&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;a href=&quot;http://www.somewhereinblog.net/blog/prochettoblog/28713409&quot;&gt;প্রথম প্রকাশ - somewhereinblog.net&lt;/a&gt;&lt;br&gt;৩০শে মে, ২০০৭ দুপুর ১:১৭
</description>
            <pubDate>Fri, 10 Apr 2009 05:15:34 +0100</pubDate>
        </item>
        <item>
            <title>প্রতিকী রাজনৈতিক বিশ্লেষন - ফাঁকা ...</title>
            <link>http://prochetto.yolasite.com/blog/blog/--apr-10-2009-5-13-14-am</link>
            <description>


রাজনৈতিক মাঠে এতদিন যে খেলা চলছিল তাতে পক্ষ বিপক্ষ খেলায়ারের অভাব
ছিলনা, খেলাও চলছিল জম্পেশ। এ তত্বাবধায়ক সরকার আসার পূর্বে “খা” পার্টি
বেশ জোরেশোরেই তাদের অবস্থান সুনিশ্চিত করতে চাইছিলেন, কিন্ত “হা”
পার্টি কম কিসের, দিলেন ল্যাং মেরে, ফসকে গেল “খা” পার্টির সমস্ত রণকৌশল।
রেফারী বৃন্দ মাঠের পরিস্থিত পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যার্থ হওয়ায় তাদেরকে
নামিয়ে দিয়ে আসল নতুন রেফারী, কিন্তু নতুন রেফারীর অতিমাত্রায় দায়িত্ব
সচেতনতা এবং কর্তব্যবোধের রেফারীগিরিতে সবাইকে একে একে লাল কার্ড দেখিয়ে
যেভাবে “খা” এবং “হা” পার্টির খেলোয়ারবৃন্দকে মাঠ থেকে বিদায় দিচ্ছেন
তাতে মাঠ শূণ্য হবার আশংকা রয়েছে।&lt;br&gt;&lt;br&gt;মাঠ প্রায় শূন্যই হয়ে গিয়েছে এক রকম। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, মাঠে যদি কোন খেলোয়ার না থাকে তাহলে কাদেরকে নিয়ে খেলা পরিচালনা করবেন?&lt;br&gt;&lt;br&gt;মনে হচ্ছ রেফারীবৃন্দ নতুন দল মাঠে নামাবেন কিন্তু প্রতিপক্ষ কোথায় পাবেন?&lt;br&gt;&lt;br&gt;তাহলে কি নতুন দল ফাকা মাঠে গোল দিবে?&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;a href=&quot;http://www.somewhereinblog.net/blog/prochettoblog/28713301&quot;&gt;প্রথম প্রকাশ - somewhereinblog.net&lt;/a&gt;&lt;br&gt;২৯শে মে, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬.০২
</description>
            <pubDate>Fri, 10 Apr 2009 05:13:14 +0100</pubDate>
        </item>
        <item>
            <title>শফি সামী’ কে ধন্যবাদ, ভেলরির প্রতি ...</title>
            <link>http://prochetto.yolasite.com/blog/blog/--apr-10-2009-5-03-17-am</link>
            <description>আমি এ দেশের একজন অতি সাধারণ মানুষ, এখানে লিখছি একজন অতি সাধারণ ব্লগার।
আমি সাধারণের সাধারন। আমার এ লেখা সকল সাধারনের পক্ষ হতে। সকল সাধারনের এক
সমষ্টিগত কন্ঠস্বর। আমরা ধন্যবাদ দিতে চাই আমাদের দেশের নাগকিত্বধারী এক
বাঙালী “শফি সামী’ কে” যিনি, আমাদের ভিতর সৃষ্টি করেছেন এক অপরিসীম
শ্রদ্ধাবোধ ও কৃতজ্ঞতাবোধ, একজন অতি সাধারন বিদেশিনীর জন্য, জ্বি হ্যাঁ
আমাদের সম্মান সিআরপির প্রতিষ্ঠাতা “ভেলরি”র জন্য। ভেলরির প্রতি রইল অতি
সাধারনের পক্ষ থেকে অসাধারন পরম শ্রদ্ধা ও পূর্ণ সমর্থন। &lt;br&gt;

&lt;br&gt;

শফি সামী’ কে উদ্দেশ্য করে বলছি, আপনি এ দেশের একজন সম্মানিত মানুষ, একজন
বড় আমলা, একটি সরকারের সাবেক উপদেষ্টাও ছিলেন অনেক বড় বড় উপাধির ভীড়ে
আপনার বড় পরিচয় আপনি বাঙ্গালী, আপনি বাংলাদেশ নামের একটি উন্নয়নশীল দেশের
নাগরিক। আর বর্তমানে যে পরিচয়ে আপনাকে সবার সামনে তুলে এনেছে সে পরিচয়ে
আপনি একজন কাপুরুষ। আশ্চর্য হতেই হয়, যুদ্ধ শেষে অসহায় পঙ্গু
মুক্তিযোদ্ধাদের অসহায়ত্বকে চ্যালেঞ্জ করে যে বিদেশিনী নিজেকে আত্মসমর্পন
করেছিলেন, শুধু একটি দুটি বছরের জন্য নয় তার জীবনের ৩৬টি বছর, বার বার
অপমানিত হয়েও নিজের লক্ষ্যে অবিচল থেকে এগিয়ে গিয়েছেন এবং সৃষ্টি করেছেন
সিআরপি, আজ এই প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানটির প্রতি আপনার লোলুপ দৃষ্টি দেখে
সত্যিই আপনাকে কাপুরুষ ছাড়া কিছুই বলতে পারছিনা। &lt;br&gt;

&lt;br&gt;

অথচ এমনটাও হতে পারত, শফি সামী আপনি কি একটু ভাববেন প্লিজ, আপনি সিআরপি’
কে আরো উন্নত ও সাহায্য করার জন্য ২০০৭ সালে এসে নতুন সংগ্রাম শুরু
করেছেন, অর্থ সংগ্রহে আপনার অবদান থাকত সর্বাগ্রে, মানুষ্য সেবায় নিবেদিত
প্রানের জন্য জাতির প্রতিটি মানুষ আজ আপনাকে যে শ্রদ্ধা সম্মান করত,
হৃদয়ের মণিকোঠায় যেখানে আপনার অবস্থান হত অসংখ্য আশীর্বাদ প্রাপ্ত হয়ে
জাতির জীবনে চিরস্মরনীয় ও অম্লান হয়ে থাকতেন। আমরা সাধারন’রা গর্ব করে বুক
উচিয়ে বলতে পারতাম দেখ বাঙ্গালীকে এই হচ্ছে সেই শফি সামী যিনি ভেলরিকে
সাথে নিয়ে ২০০৭ সালে নতুন যুদ্ধ শুরু করেছেন সত্য ও সুন্দরের প্রতিষ্ঠায়। &lt;br&gt;

&lt;br&gt;

কষ্ট হয় তখনই যখন শুনতে হয় বাংলাদেশী বেঈমান। তাচ্ছিল্ল করা হয় কোন
বাঙ্গালীকে। বাঙ্গালীত্ব’র সম্মানকে হরণ করা হয়। কেন আমরা কি যুদ্ধ করিনি,
প্রান দিইনি স্বাধীনতা অর্জন করেনি, তার চেয়ে কি বড় কঠিন কাজ ছিল নিজেকে
নিবেদন করা মানুষ সেবার কাজে ? আজ একজন বাঙ্গালীর জন্য পক্ষ নিতে হয় একজন
বিদেশিনীর, কারণ সাধারন’রা সত্যের পূজারী, সত্য যেখনেই থাকুক সত্যকে তারা
বরণ করবেই। আমরা সত্যকে অন্য কোন রুপে দেখতে জানিনা তাই সহজ সরল সত্যকে
বিশ্বাস করে একজন ভেলরির পক্ষ হয়ে ভেলরির জন্য যুদ্ধ করছি। ভেলরির সত্য
প্রতিষ্ঠার জন্য আমাদের এ যুদ্ধ। আপনার এ কাপুরুষোচিত কর্ম ভেলরির প্রতি
সাধারণের আস্থা যেমন বাড়িয়ে তুলেছে, তেমনি তাঁর প্রতি মমত্ববোধ,ভালবাসা,
শ্রদ্ধা ও সম্মান জাগ্রত করেছে।&lt;br&gt;

&lt;br&gt;

আমরা আপনাকে আপনার কাপুষোচিত কর্মের জন্য ধন্যবাদ দিতে চাইনা, ধন্যবাদ
এখানে মেকী। ধন্যবাদ পাবার যোগ্য আপনি নন। শুধু এতটুকুই অবশিষ্ট থাকে, আজ
আমাদের এ লেখা যদি কোন বাঙ্গালীর পক্ষে হত, কোন বাঙ্গালীর প্রতিদানের
সম্মান ফিরিয়ে দেবার জন্য আমাদের এ যুদ্ধ, তার জন্য ইন্টারনেটে ভোট চাওয়া,
বিশ্ববাসী দেখত একজন বাঙ্গালীর জন্য কত বাঙ্গালী লড়তে পারে ! &lt;br&gt;

&lt;br&gt;

আমাদের আফসোস নেই কারন আমরা লড়ছি সত্যের পথে, ভেলরির সত্যকে সুপ্রতিষ্ঠিত
করার লক্ষ্যে, তিনি বাঙ্গালী নন তো কি হয়েছে ? বাঙ্গালীর জন্যই তো বিলীন
করে দিলেন নিজেকে, তাকে সম্মান দেয়ার দায়িত্ব আমার আপনার সকলের, জাতি,
ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকলের।&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;a href=&quot;http://www.somewhereinblog.net/blog/prochettoblog/28713248&quot;&gt;প্রথম প্রকাশ - somewhereinblog.net&lt;/a&gt;&lt;br&gt;২৯শে মে, ২০০৭ দুপুর ১:৪৪
&lt;br&gt;</description>
            <pubDate>Fri, 10 Apr 2009 05:03:17 +0100</pubDate>
        </item>
        <item>
            <title>আলু ক্রয়ে আমার ভূয়া মার্কেটিং পলিসি</title>
            <link>http://prochetto.yolasite.com/blog/blog/--apr-10-2009-4-58-00-am</link>
            <description>


বাজার করতে যাওয়াটা আমার কাছেসবচেয়ে বিরক্তিকর একটা ব্যাপার, সেটা এখনই
হোক আর আজ থেকে ১০ বছর আগেই হোক, বরাবরই এ বিষয়টার প্রতি একটা অনীহা ছিলই।
কেউ যদি বলেন না পারলে এমন অনীহা হবেই, আমি সত্যকে মাথা পেতে নেব। আসলেই
বাজারে গিয়ে দরাদরি, কোনটা ভাল কোনটা মন্দ সেটা বাছবিছারের ক্ষমতা নাই
বললেই চলে।&lt;br&gt;&lt;br&gt;তো
কিছুদিন আগে আমার মা, তিনিও গাল মুখ ভারী করে বসে আছেন এবং অনবরত তার বড়
সন্তানকে বাজার সদাইয়ের উপদেশ দিয়েই চলেছেন, কে শোনে কার উপদেশ, এ কান
দিয়ে শুনছি আর ও কান দিয়ে বের করছি, যেহেতু মার্কেটিং ডিপার্টমেন্টে কাজ
করছি তাই কাউকে সন্তুষ্ট কিভাবে করতে হয় তা ভালভাবেই জানা, মা-কেও সেভাবে
ম্যানেজ করছি।&lt;br&gt;&lt;br&gt;অবশেষে একটি বাজারের ব্যাগ হাতে নিয়ে বাজারের উদ্দেশ্যে গমন। সাদাই বেশী কিছু না মাত্র ১ কেজি আলু ক্রয় করতে হবে।&lt;br&gt;কার্য যথাযথ সম্পাদন করে প্রত্যাগমন। বাসার সবাই এমন ভাব ধরেছিলেন যেন আমি বহুকিছু উদ্ধার করে বাসায় ফিরছি।&lt;br&gt;যাই
হোক যে যে কাজ জানেনা তাকে যতই তালিম দেয়া হোক তা কি ভালভাবে হয়? আমারও
তাই হল ১ কেজি আলুর মধ্যে প্রায় অর্ধেকেই পঁচা এবং নষ্ট। মা - তো রেগে
ফুলে ফেপে হা-পিত্যেশ করছে।&lt;br&gt;&lt;br&gt;তোর কি চোখে বাজারে আর আলু পড়েনি ? কি এনেছিস?&lt;br&gt;-
মা, অনেক ঘুরলাম, শেষে দেখি একটা ঝুড়িতে এই কয়টাই আলু ছিল, নিয়ে নিলাম,
বেচারা ! এই কয়টার জন্য না জানি কতক্ষন বসে থাকে তাই তাকেও রেহাই দিলাম
আমারও কেনা হল&lt;br&gt;এটা কোন যুক্তি হল !&lt;br&gt;- না, যুক্তি একটা আছে। আমার
মার্কেটিং পলিসি এখানে এপ্লাই করেছি। আলু গুলো দেখ উপরের দিকটা কি ফিটফাট
দেখে মনে হয় ভিতরের অবস্থা এমন, সেটা বড় কথা না, বড় কথা হচ্ছে যখন পুরো
বাজার ঘুরে দেখি অনেকের বস্তা বস্তা আলু পড়ে আছে, একই রকম একটু মোটা তাজা
অথচ বিক্রি নাই, তার মানে কি লোক সেখানে তেমন যাচ্ছেনা, অথচ এই লোকের একটা
ঝুড়িতে এই কয়টাই বাকী ছিল, তার মানে লোকজন এরটা বেশী কিনতেছে, ভাবলাম
যেহেতু পাবলিক টানছে তার মানে এটাই বেস্ট।&lt;br&gt;&lt;br&gt;মা, আমার মন বোঝানো, আলু
ক্রয়ের ভূয়া মার্কেটিং পলিসির কাহিনী শুনে কিছু না বলে সোজা কাটা পঁচা
আলুগুলো পুনরায় প্যাকেটে ভরে আমার হাতে দিয়ে ফেরত দিয়ে আসতে বললেন, আরও
বললেন টাকা ফেরত আনার দরকার নাই।&lt;br&gt;&lt;br&gt;মায়ের আদেশ শিরোধার্য, বাজারে যাওয়া হল সেই লোককে আর খুজে বের করা সম্ভব হলনা। পাবই বা কিভাবে আমিই তো ছিলাম সর্বশেষ কাষ্টমার।&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;a href=&quot;http://www.somewhereinblog.net/blog/prochettoblog/28713220&quot;&gt;প্রথম প্রকাশ - somewhereinblog.net&lt;/a&gt;&lt;br&gt;২৯শে মে ২০০৭, সকাল ৯:৫১&lt;br&gt;</description>
            <pubDate>Fri, 10 Apr 2009 04:58:00 +0100</pubDate>
        </item>
        <item>
            <title>ইশ্বরের দুটি ঐশ্বরিক ইচ্ছে, একটি ...</title>
            <link>http://prochetto.yolasite.com/blog/blog/--apr-10-2009-4-55-55-am</link>
            <description>


ইশ্বর আমাদের সবকিছু দেখেন, শোনেন ও সিদ্ধান্ত নেন। হঠাৎই তিনি ইচ্ছে
করলেন তার ঐশ্বরিক ক্ষমতায় তিনি জগৎে দুটি কাজ করবেন। সেখানে পরিবর্তনের
পাশাপাশি থাকবে ঘটনাচক্রও। সবই ইশ্বরের একান্ত ইচ্ছা।&lt;br&gt;&lt;br&gt;প্রথমত যে কাজটি করবেন&lt;br&gt;&lt;br&gt;তার সৃষ্টি ব্রক্ষান্ডের সকল সৃষ্ট জীব, সকল স্থান, সকল সময়ের মধ্যে শুধু একটি সৃষ্টি, একটি সময়কাল ও একটি স্থান পরিবর্তন করবেন&lt;br&gt;১)
যে সৃষ্টি জীবটিকে তিনি পরিবর্তন করবেন তিনি হলেন “শফি সামী” নামের এক
ভদ্রআবেষ্টিত কুৎসিত একটি পুরুষ তাকে রুপান্তর করে বানানো হবে সম্মানিত
নারী ভেলরি'তে।&lt;br&gt;২) ২০০৭ সালকে টেনে পিছনে নিয়ে যাওয়া হবে ১৯৭২ সালে&lt;br&gt;&lt;br&gt;ঐশ্বরিক পরিবর্তন শেষ। এবার ঘটনাচক্র।&lt;br&gt;&lt;br&gt;পরিবর্তীত
জীবটি অর্থ্যাৎ “শফি সামী” থেকে সম্মানীয় ভেলরি তিনি ১৯৬৯ সালে সুদূর
আমেরিকা থেকে থেকে উড়ে আসেন বাংলাদেশে। যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদেরকে দেখে
তার ভিতরকার অনুভূতি প্রবল হয়ে কিছু একটা করার তাড়নাই তাকে বারবার ভাবাতে
থাকে। তিনি ফিরে গিয়ে আবার দেশে আসেন ৭২’এ। সোহরাওর্য়াদী হাসপাতালরে ছোট্ট
একটি জায়াগা সংগ্রহে শুরু হবে তার সংগ্রাম তার পথ চলা। তিনি তার
সংকল্পবদ্ধ প্রতিজ্ঞা রক্ষায় দ্বারে দ্বারে ছুটবেন, অপমানিত হবেন, নুইয়ে
পড়বেন তবুও মচকাবেন না। জীবনের সাথে এ যেন তার নতুন সংগ্রাম। এ যে তার পথ
চলা শুরু হোচক খাবেন আবার ভর দিয়ে উঠে অনন্ত পথের ঠিকানায় হেটে চলবেন।
তাকে চলতেই হবে কারণ তিনি যা করছেন তা তো নিজের জন্য নয়, তিনি তার জন্য নয়
তিনি তাদের জন্য ভাগ্য যাদেরকে পঙ্গুত্ব করে রেখেছে তাকে ভর করে চলাই
যাদের প্রেরণা, একজন অসহায় পিতার করুণ চোখে মুখে সন্তানের পরিণতির যে
ক্লান্ত ছাপ তার কিছুটা হলেও তিনি চেয়েছিলেন মুছতে । নিজের দিকে তাকানোর
সময় কোথায়, সময়ের গন্ডী পেরিয়ে একা একাই চলে আসতে হল এতদূর। শুরু যেভাবেই
হোক এবার সময় হল পরিধি বাড়াবার সাভারের অদূরে বিধাতার সৃষ্টি এক পবিত্র
ভূমিতে জন্ম নিল “সিআরপি” নামক দাতব্যলয়। সময় পরিচিত করল ভেলরির সৃষ্টিকে।
তার সৃষ্টির সেবায় অসংখ্য হাসতে ভূলে যাওয়া মানুষের মুখে যেমন হাসি ফুটল,
তেমনি নিজেকে পূর্ণ সাবলম্বি হওয়ার প্রবল বিশ্বাসে যে মানুষগুলো প্রতিনিয়ত
স্বপ্ন দেখত তাদের স্বপ্ন পূরনে সেই মানুষগুলো ভেজা চোখে বিধাতার কাছে
দুটো হাত তুলতে কিন্তু ভুলেননি। বাংলা, ইংরেজী ভাষা নয়, মুসলমান, হিন্দু
আবদ্ধ নয়, শুধু মসজিদ, গীর্জা নয় ভেলর সর্ব আশীর্বাদে আশীর্বাদ পুষ্ট হন।
হৃদয় জয় করে ভিনদেশী সেই মহিলা। প্রতিষ্ঠিত হয় ভেলরি ও তার সৃষ্টি সিআরপি।&lt;br&gt;&lt;br&gt;হঠাৎই
এক আগুন্তুকের আগমনে সবকিছু কেমন জানি ধীরে ধীরে পরিবর্তন হতে থাকে ভেলরির
জীবন। সন্তুানের মত লালিত এত সাজানো গোছানো স্বপ্ন যেন ফিকে হয়ে যায়
মূহূর্তে, যখন ভেলরের শুনতে পান তিনি ম্যানেজমেন্ট বুঝেন না। প্রমানহীন
মিথ্যে দূর্নিতির অভিযোগ চাপানো হয় তার ঘাড়ে। সারে সাত হাজার টাকা বেতনের
ভেলর কিছু বুঝে উঠার আগেই আগুন্তুকের ক্ষমতার লেলিহান শিখায় তাকে পুড়তে
হয়। ডিপার্টমেন্ট পরিবর্তন হয় বেশ কয়েকবার। তার ভাবনার জগৎে একটি প্রশ্ন
বারবার সামনে চলে আসে যদি দুই লক্ষ টাকা একজন কর্মকর্তার বেতন হয় তাহলে
একটি দাতব্যলয় পরিচালনার মূল উদ্দেশ্য কি হতে পারে ? শুরুর দিকটার মত ভেলর
আবার অপমানিত হয়, তবে এ অপমান শুধু ভেলরের একার নয় অপমান দেশের প্রত্যেকটি
মানুষের প্রত্যেকটি আত্মার। শুধু একজন কাপুরুষ, কুপুরুষ আগুন্তুকের জন্য।&lt;br&gt;&lt;br&gt;ঐশ্বরিক ক্ষমতার প্রথম ঘটনাচক্রের আপাতত এখানেই সমাপ্তি।&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;এবার দ্বিতীয় পরিবর্তনের পালা, তারপর শুরু হবে দ্বিতীয় ঘটনাচক্র&lt;br&gt;&lt;br&gt;ইশ্বর
দ্বিতীয় পরিবর্তন করতে গিয়ে থেমে গেলেন, তিনি তার ঐশ্বরিক ক্ষমতায় দ্বিতীয়
পরিবর্তনটি আর করতে পারলেন না । তিনি যে কাজটি পারলেন না তা হল ভেলরিকে
শফি সামী তে রুপান্তর করতে পারলেন না, তিনি প্রশ্নাবদ্ধ, ভেলরি’রা কি কখনো
শফি সামী হতে পারে? কখনো পারে না। অজস্র প্রার্থনায় সিক্ত যে প্রাণ, হৃদয়
থেকে উৎসরিত ইশ্বরের কাছে আকুতি ইশ্বরকে থামিয়ে দিল। তিনি কোন কলংকের
অধ্যায় রচিত হতে দিলেন না।&lt;br&gt;&lt;br&gt;ইশ্বরের ইচ্ছায় ভেলরি শফি সামী হলেন না। ভেলরি’রা যে কখনো শফি সামী হয়না। ইশ্বরের সৃষ্টি ভেলরি ভেলরিই।&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;a href=&quot;http://www.somewhereinblog.net/blog/prochettoblog/28712606&quot;&gt;প্রথম প্রকাশ - somewhereinblog.net&lt;/a&gt;&lt;br&gt;২৬শে মে ২০০৭, দুপুর ১২:৫৬&lt;br&gt;</description>
            <pubDate>Fri, 10 Apr 2009 04:55:55 +0100</pubDate>
        </item>
        <item>
            <title>বিয়েতে কন্যারা আগে যেমন হাউমাউ করে ...</title>
            <link>http://prochetto.yolasite.com/blog/blog/--apr-10-2009-4-45-31-am</link>
            <description>


ছোটবেলায় অর্থ্যাৎ স্কুল জীবনে যখন বিভিন্ন বিয়ের অনুষ্ঠানে যেতাম দেখতাম
বিয়ে শেষে কন্যা বিদায় বেলায় সে কি কান্না, কন্যা কাকে বাদ দিয়ে কাকে ধরে
কানবে তাইত সামলানো মুসকিল ছিল। বেচারা জামাই বাবাজী সে দৃশ্য দেখার জন্য
পূর্ব প্রস্তুতি নিয়েই রাখতেন।&lt;br&gt;&lt;br&gt;যাই
হোক প্রসঙ্গ সেটা না। গেল সপ্তাহে দু-দুটো বিয়েতে গেলাম । একটি কলিগের
আর একটি আত্বীয়ের যাই হোক, অপেক্ষার প্রহর গুনছি কখন শুরু হবে কন্যার
কান্না, হাউমাউ করে ভাসিয়ে দেবে চারিদিক, কন্যার কান্নার শব্দে চারিদিক
হবে নীরব, নিস্তব্দ।&lt;br&gt;&lt;br&gt;কিন্তু যা ভাবা ঠিক তার উল্টোটা হল কিসের কান্না
কন্যা দিব্বি হাসতে হাসতে বাবা মা'এর কাছ থেকে বিদায় নিল, মাঝ দিয়ে কোন
মুরুব্বীর কন্ঠে ভেসে এল &quot;মেয়েটার চোখে একটু পিঁয়াজের রস দে তো, কি
মেয়েরে বাবা চোখে এক ফোঁটা জল নেই&quot;&lt;br&gt;কঠ্ঠিন ডায়লগ ! ভাবলাম ডায়লগটা মন্দ না, আসলেই তো আজকাল বিয়েতে কন্যাকে তেমন কাঁদতে দেখিনা। ভালই ইমপ্রুভ হয়েছে তাহলে।&lt;br&gt;&lt;br&gt;আর
কাদবেই বা কেন তারা কি আর আগের মতন আছে? যে স্বামীর ঘরে যাওয়া মানে নিজেকে
বন্দী মনে করা, নিজের স্বাধীনতা হরণ হওয়া, স্বামীকে ধ্যান জ্ঞান করাই
প্রকৃত এবং উৎকৃষ্ট কর্ম মনে করা।&lt;br&gt;&lt;br&gt;যুগের সাথে আমরা এগিয়েছি না ! আমাদের মেয়েরাও তো এগিয়েছে।&lt;br&gt;&lt;br&gt;তবে, যুগের সাথে সাথে কন্যার বিদয়ী কান্নাও হারিয়ে যাচ্ছে দিন কে দিনেক ।&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;a href=&quot;http://www.somewhereinblog.net/blog/prochettoblog/28712480&quot;&gt;&lt;br&gt;প্রথম প্রকাশ - somewhereinblog.net&lt;/a&gt;&lt;br&gt;২৫শে মে ২০০৭, বিকাল ৩:২১&lt;br&gt;</description>
            <pubDate>Fri, 10 Apr 2009 04:45:31 +0100</pubDate>
        </item>
        <item>
            <title>এক আগুন্তকের ব্লগ ভ্রমন ও ...</title>
            <link>http://prochetto.yolasite.com/blog/blog/--apr-10-2009-4-43-22-am</link>
            <description>


&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;সহসাই নেট পরিভ্রমনে এক আগন্তুক ব্লগের সন্ধান পাইলেন তাও আবার বাংলায় আমাদেরই সামওয়ারইন ব্লগ।&lt;br&gt;ব্লণ পড়িবার ও কমেন্ট করিবার লোভ সংবরন না করিতে পারিয়া অবশেষে ব্লগে ঢুকিয়াই পড়িলেন।&lt;br&gt;কিন্তু এ কি! সবই বালছাল অধ্যায় কিংবা পর্ব চলিতেছে। আসলেই কি বালছাল ?&lt;br&gt;বহুদিন
ধরে &quot;বালছাল&quot; শব্দটির কোন প্রয়োগ না থাকায় মস্তিষ্কের কোন এ গহ্বরে ইহা
পচিয়া পচিয়া যখন মৃত প্রায় তখন ব্লগের এই আকস্মিক আগমনে তাহা আবার
পুনুরুজ্জীবিত হইল।&lt;br&gt;যাই হোক এ &quot;বালছাল&quot; কাব্য চর্চায় তাহার লাভই
হইয়াছে। শব্দটির সাথে নতুন করে পরিচয় পাওয়া গেল তাও আবার কাব্যাঙ্গিক
ভঙ্গিতে। ইহা তাহার নতুন অভিজ্ঞতা। &quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&quot;&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;বস আসতে পারি?&lt;br&gt;-আস&lt;br&gt;বস এসাইমেন্ট রেডী করেছি&lt;br&gt;-দেখি&lt;br&gt;&lt;br&gt;(তিনি এসাইমেন্ট দেখছেন)&lt;br&gt;দেখা শেষে&lt;br&gt;-ধূর ! কি বালছাল নিয়ে আসছ?&lt;br&gt;-এইটা কি ?&lt;br&gt;বস, এসাইনমেন্ট&lt;br&gt;-এসাইমেন্ট না তো বালছাল&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;ডেস্কে এসে ব্লগ লগইন করি, দেখি &quot;বালছাল&quot; শিরোনামের কাব্য সাহিত্য, বুঝলাম !&lt;br&gt;ধন্যবাদ বালছাল পোষ্টগুলোর লেখকবৃন্দের প্রতি&lt;br&gt;&lt;br&gt;ইহা শুধু আমার বসের নয়, প্রকৃতপক্ষে আমারও বালছাল অভিজ্ঞতা&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;a href=&quot;http://www.somewhereinblog.net/blog/prochettoblog/28712158&quot;&gt;প্রথম প্রকাশ - somewhereinblog.net&lt;/a&gt;&lt;br&gt;২৩শে মে ২০০৭. দুপুর ২:৪৫&lt;br&gt;</description>
            <pubDate>Fri, 10 Apr 2009 04:43:22 +0100</pubDate>
        </item>
    </channel>
</rss>
