প্রচেত্য ভুবনে সু-স্বাগতম
j
![]() | প্রচেত্য, কেউ 'প্রচেত্য দা' বলে আবার কেউ কেউ 'দাদা' বলেও ডাকে। তবে, যে যেভাবে যে নামেই ডাকুন না কেন প্রচেত্য নামের সে মানুষটি একটা না একটা উত্তর দিয়েই যাবে। কমপক্ষে, এই তো প্রচেত্য-আমি এখানেই, তোমাদের পাশেই |
'প্রচেত্য' নামটির অর্থ নিশ্চয় ইতোমধ্যে জেনে গিয়েছেন।
আব্রাহাম কাওলী'র উক্তিটি এরকম ছিল "চমতকার একটা নাম জীবনে কৃতিত্ব বহন করে না"
আমি সেরকম মনে করি আবার করিও না, কারণ এ নামটি নিয়ে যদি ব্যক্তিগত পর্যালোচনা সাপেক্ষে কিছু বলতে বলা হয় তাহলে মন্তব্যটা এরকমই হবে। পক্ষে আবার বিপক্ষে।
নিজেকে নিয়ে কিছু ভেবে বলাটা সত্যি কঠিন কাজ। মনে হয় এটা দিয়ে শুরু করি আবার এটাও মনে হয় এটা নয় ওটা দিয়ে শুরু করে দেখি। এরকম বিক্ষিপ্ততায় চঞ্চল কিছু ভাবনাগুলোকে জোড়াতালি দিয়ে সাত পাঁচ না ভেবেই শুরু করছি। এলোমেলো হয়ে গেলে ক্ষমা মার্জনীয়।পরিচয়ের শুরুতেই নিজেকে কি হিসেবে যে জাহির করি ? একটু চিন্তা করে নেই, কারণ হচ্ছে আমার দুটো পরিচয় একসাথে বয়ে বেড়াতে হচ্ছে। দুটোই মুখ্য। তবে, ব্যতিক্রম হচ্ছে যে বয়স থেকে এ পরিচয়ের সূচনা সে বয়সে সাধারণত ওই বয়সের ছেলেপুলেরা একটি পরিচয়েই পরিচিত থাকে। যেমন ধরুন ২০ বছর বয়সের যে কেউ নিজেকে ছাত্র বলেই পরিচয় দিতেই অভ্যস্ত থাকবে, অথচ ভাগ্য আমার বেলায় সে জাগাতেই শয়তানী করেছে, আমাকে বলতে হয়েছিল ওই সময় “আমি চাকুরিজীবি” এবং অত:পর “একজন ছাত্র” রাতের শেষটা আর দিনের শুরুটা দুটোই সম্পূর্ণ ভিন্ন মাত্রার। কেমন ? এই যেমন রাতে ঘুমোবার আগে চিন্তা করি সামনে পরীক্ষার পড়াগুলো কিভাবে শেষ করব ! আরসকালটা ? ভোরেই শুরুতেই ভাবনা চেপে বসে, নতুন প্রজেক্ট এসাইনমেন্টের প্রগ্রেস কতটুকু, বসকে কি আপডেট করব, কাল অমুক পার্টির সাথে কো-অর্ডিনেশন মিটিং, প্রাকারভেদে ক্লায়েন্ট নরমাল, ভিআইপি, ভিভি … ইত্যাদি কাকে রেসপন্স করব, শিডিউল বুকে কোন পার্টি আছে কিনা, ইত্যাদি বিবিধ সব।প্রথম যখন চ্যাট করি মেসেঞ্জারে। সে অনেক দিন আগের কথা। একেবারে প্রথম তখন, অভ্যস্ত-তো নয়ই। প্রথম ম্যাসেজই ছিল এরকম “asl” – আমি বলি মানে কি ? ওপাশ থেকে তো ইচ্ছেমত … যা হোক বোধদয় হল ব্যপারখানি শর্টকাট শব্দের মত মোটামুটি পারসোনাল শর্টকাট প্রোফাইল হিস্টোরী। তখন তো লিখতাম “20, male, dhaka” অন্যসব ঠিক থাকলেও ওই “a”-টা কিছুটা বেড়ে মোটামুটি বয়স্ক হয়েছে।জন্মদিন নিয়ে বাড়াবাড়ির করার তেমন কোন উপলক্ষই কখনো হয়নি অবশ্য এ ক্ষেত্রে মা প্রায়ই বলেন তোর বার্থডে’টা তো সারা বিশ্ব পালন করে। আমি বলি তাতে কি, কেউ করুক না করুক, সেটা কোন বিশেষ দিন হোক চাই না হোক, আমার কাছে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ দিন এটি। “১৪ ফেব্রুয়ারী”শহরে মানুষ হয়েছি ঠিকই কিন্তু গ্রামের পরিচয় তো আছেই। যশোর। বাড়ী যাওয়া হয়নি প্রায় বছর ছয়ে’র উপর হতে চলল। সময়কে অযুহাতের পেছনে দাড় করিয়ে দিলেইহল, ব্যস সবকিছু মিটমাট। ইচ্ছে করে, তবুও কখনো কখনো সময় নিজেই অযুহাতের সামনে এসে নিজেকে মহামূল্যবান বানিয়ে রাখে। তখন তো উপায় নাই।ভাল লাগা – মন্দ লাগার কখনো আলাদা কোন লিস্টি করা হয়নি। কেউ যদি কখনো জিজ্ঞেস করে চিন্তা করে রেডীমেড বানিয়ে দিতে হয়। এখানেও হযেছে সেরকম – এখন লিখলে কিছুই লিখতে পারবনা। সময় নিতে হবে।
| ![]() ৃ ![]() ৃ ![]() ৃ ![]() ৃ ![]() |





